Poem Details

বিশের ফুলশয্যা

বিশের ফুলশয্যা
*=*=*=বিশের ফুলশয্যা
*=*=*=*=*=*=*
রোজ, কাকলি কোকিল হয়ে কাকভোরে
আমার ঘুম ভাঙাবে তার মধুর স্বরে, বলতো
কিন্তু আমার এমন ভালো কপাল
এ জীবনে আজও এলোনা সে সকাল l
যাইহোক গতকাল রাতের ফুলশয্যার কথা না বলে পারছিনা l
দরজায় তখনও ছিটকিনি দিইনি l
ফুলশয্যার উপর কাকলি ঘোমটা দিয়ে বসে আছেl কিছু বলার আগেই ঝটকরে তার ঘোমটাটা তুলেদেব", এমন ভেবে তেমন করতে গেলাম l
অতি ঝট করে কাকলি বললো "ঘোমটা তুলবেনা"l
আমার হাত ও মুখে যেন ঝট করে একটা ঝটকা লাগলো l তবু অতি কষ্টে অ-বাক মুখে বাকপুর্ন করে মনের জোরে জিজ্ঞেস করলাম, "কেনো "? উত্তরে সে আরো জোরে জিজ্ঞেস করল "আমার আংটি কোথায়?"আমি বাকসংযম ভেঙে বেশ চালাকি করে বললাম "আজ আংটি দেবার তো কোনো কথা ছিলোনা, আর এখন এত রাতে কিনেও আনতে পারবনা"l সে স্বর্গীয় শান্ত স্বরে বললো "ঠিক আছে তাহলে শুয়েই পরো "l পরক্ষনেই ঘরে প্রতিধ্বনিত হলো " তবে, ঘোমটা তুলবেনা "l সুবোধের মতো জিজ্ঞেস করলাম " কি তুলবো? "সে বলল "তুলতে হবেনা নামও "l "কি নামাবো "? বলল "গয়নার বাক্স "l আলমারি থেকে গয়নার বাক্স নামিয়ে জিজ্ঞেস করলাম"কি আছে"? বলল "আঙটি আছে" l "কিসের আংটি ?" বলল "ফুলশয্যার আংটি "l তখনই আমার অ-বাক মুখে বিস্ময়ের সবাক প্রশ্ন "কার ফুলশয্যার আংটি ? কে কিনেছে ? "উত্তরে সে বলল "আমাদের ফুলশয্যার আংটি , তুমিই কিনেছো "l "আমি কিনেছি !"! শব্দটা মুখ থেকে বেরিয়েছিল কিনা জানিনা, তবে উত্তর পেয়েছিলাম"তুমিই কিনেছো "l "আমি কিনেছি অথচ আমি জানিনা? "প্রশ্নটা আমি আমlকেই করলাম, তবু সেই উত্তর দিলো "সে তুমিই জানো "l ঘোমটার নিচে গয়নার বাক্স খুলে, আমার হাত টেনে নিয়ে হাতে একটি আংটি দিয়ে বলল "পরিয়ে দাও "l আমি তার আঙ্গুলে আংটিটা ঢোকাতে যাব এমন সময় ওই হাতের সব আঙ্গুল বাকিয়ে মুঠ করলো l তার চোখের দুষ্টুমি বোঝার চেষ্টা করে আমার চোখের ইশারায় ব্যাপারটা জানতে চাইলাম l সে তখন জিজ্ঞেস করল "আংটিটা চিনতে পেরেছো? "প্রশ্ন শুনে ভাবছি... মানুষ কি দোকানে গিয়ে আগে আংটি চিনতে পারে তারপর কেনে l সে তখন বলতে থাকে "গয়নার কৌটোতে যে আংটি খুঁজে না পাবার জন্য 20 বছর আগে ফুলশয্যার রাতে লজ্জায় ঘরের বাইরে কাটিয়েছিলে - এটাই ওটা l"
আংটিটা পরিয়ে দিয়েছিলাম তার হাতে l তবে সারারাত ঘরের বাইরেই কাটিয়েছিলো সে...........
সাথে আমিও l
রত্নদ্বীপ
""""""""""""=*
রোজ, কাকলি কোকিল হয়ে কাকভোরে
আমার ঘুম ভাঙাবে তার মধুর স্বরে, বলতো
কিন্তু আমার এমন ভালো কপাল
এ জীবনে আজও এলোনা সে সকাল l
যাইহোক গতকাল রাতের ফুলশয্যার কথা না বলে পারছিনা l দরজায় তখনও ছিটকিনি দিইনি l ফুলশয্যার উপর কাকলি ঘোমটা দিয়ে বসে আছেl কিছু বলার আগেই ঝটকরে তার ঘোমটাটা তুলেদেব", এমন ভেবে তেমন করতে গেলাম l অতি ঝট করে কাকলি বললো "ঘোমটা তুলবেনা"l আমার হাত ও মুখে যেন ঝট করে একটা ঝটকা লাগলো l তবু অতি কষ্টে অ-বাক মুখে বাকপুর্ন করে মনের জোরে জিজ্ঞেস করলাম, "কেনো "? উত্তরে সে আরো জোরে জিজ্ঞেস করল "আমার আংটি কোথায়?"আমি বাকসংযম ভেঙে বেশ চালাকি করে বললাম "আজ আংটি দেবার তো কোনো কথা ছিলোনা, আর এখন এত রাতে কিনেও আনতে পারবনা"l সে স্বর্গীয় শান্ত স্বরে বললো "ঠিক আছে তাহলে শুয়েই পরো "l পরক্ষনেই ঘরে প্রতিধ্বনিত হলো " তবে, ঘোমটা তুলবেনা "l সুবোধের মতো জিজ্ঞেস করলাম " কি তুলবো? "সে বলল "তুলতে হবেনা নামও "l "কি নামাবো "? বলল "গয়নার বাক্স "l আলমারি থেকে গয়নার বাক্স নামিয়ে জিজ্ঞেস করলাম"কি আছে"? বলল "আঙটি আছে" l "কিসের আংটি ?" বলল "ফুলশয্যার আংটি "l তখনই আমার অ-বাক মুখে বিস্ময়ের সবাক প্রশ্ন "কার ফুলশয্যার আংটি ? কে কিনেছে ? "উত্তরে সে বলল "আমাদের ফুলশয্যার আংটি , তুমিই কিনেছো "l "আমি কিনেছি !"! শব্দটা মুখ থেকে বেরিয়েছিল কিনা জানিনা, তবে উত্তর পেয়েছিলাম"তুমিই কিনেছো "l "আমি কিনেছি অথচ আমি জানিনা? "প্রশ্নটা আমি আমlকেই করলাম, তবু সেই উত্তর দিলো "সে তুমিই জানো "l ঘোমটার নিচে গয়নার বাক্স খুলে, আমার হাত টেনে নিয়ে হাতে একটি আংটি দিয়ে বলল "পরিয়ে দাও "l আমি তার আঙ্গুলে আংটিটা ঢোকাতে যাব এমন সময় ওই হাতের সব আঙ্গুল বাকিয়ে মুঠ করলো l তার চোখের দুষ্টুমি বোঝার চেষ্টা করে আমার চোখের ইশারায় ব্যাপারটা জানতে চাইলাম l সে তখন জিজ্ঞেস করল "আংটিটা চিনতে পেরেছো? "প্রশ্ন শুনে ভাবছি... মানুষ কি দোকানে গিয়ে আগে আংটি চিনতে পারে তারপর কেনে l সে তখন বলতে থাকে "গয়নার কৌটোতে যে আংটি খুঁজে না পাবার জন্য 20 বছর আগে ফুলশয্যার রাতে লজ্জায় ঘরের বাইরে কাটিয়েছিলে - এটাই ওটা l"
আংটিটা পরিয়ে দিয়েছিলাম তার হাতে l তবে সারারাত ঘরের বাইরেই কাটিয়েছিলো সে...........
সাথে আমিও l
রত্নদ্বীপ
""""""""""""
0 comments

Add your comment here

Use the following form to leave your comment on this poem

Please login First

Statistics

Number of VISITORS 165191
Number of REGISTERED USERS 5272
Number of Writers 2242
Total Number of Poems 5
Total Number of Prose 20