New User? | Forgot Password

Prose Library - Today's featured Prose

বিভাগ - গল্প
শিরোনাম - অধরা তৃপ্তি
- সান্তনা সাহা

সরস্বতী পুজো উপলক্ষ‍্যে কলেজের ক‍্যাম্পাসে সেই আগের মতই ভিড়। সুন্দর সুন্দর শাড়ি পরা মেয়েরা সারাদিন ধরে ভিড় জমিয়েছে কলেজে। অনেক ছেলেমেয়েই জুটিতে আছে। অন‍্যবার এই দিনে মনোজের আমেজটাই অন‍্য থাকত। সকলের সুন্দর সাজ দেখতে দেখতে যেন অদ্ভূত এক আবেশ জড়িয়ে যেত চোখে। আর সবচেয়ে যেটা উপভোগ‍্য ছিল , সেটা হল মিতা আর পূরবের সঙ্গ। ওরা তিনজন ছিল অন্তরঙ্গ বন্ধু। তিনজন একসাথে না হলে যেন ঠিক জমতই না। ওরা তিনজনেই গানবাজনা খুব ভালোবাসত। মাঝেমাঝেই একসঙ্গে মিলে গানবাজনা করত। মনোজ খুব সুন্দর সিন্থেসাইজার বাজাত, মিতা গিটার বাজাত আর পূরবের ছিল গানের অপূর্ব গলা।মিতাও ওর সাথে গলা মেলাত।আর সত‍্যিই ওরা যখন একসাথে গান করত ,সে গান শোনার মত হত। ভবিষ‍্যতে একদিন ওরা নিজেদের একটা গানের ব‍্যান্ড খুলবে,এমন পরিকল্পনাও হয়েছিল ওদের মধ‍্যে। এভাবেই গানবাজনা করতে করতে কখন যে মনোজ,মিতার প্রেমে পড়ে গেছিল বুঝতেও পারেনি। মিতার খোলা চুল,মুখের উচ্ছ্বল হাসি,অপূর্ব চাহনি এসবের মধ‍্যে যেন হারিয়ে যেত মনোজ। কিন্তু অনেকদিন থেকেই মনের ভেতর হওয়া এই তোলপাড়টা মনের ভেতরেই পুষে রেখেছিল মনোজ। কাউকে বুঝতে দেয়নি। ভেবেছিল সরস্বতী পুজোর দিন বলবে মিতাকে। সেজন‍্য আগে থেকে কিনে রেখেছিল সুনীল গঙ্গোপাধ‍্যায়ের লেখা 'প্রেমের কবিতা' বইটি। আর সাথে এনেছিল একগোছা লাল গোলাপ। অপেক্ষা করছিল সে।
হঠাৎ মিতা আর পূরব একসাথে এসে চমকে দেয়। মিতা তার হাতটা দেখায় মনোজকে। সেখানে একটি হীরের আংটি জ্বলজ্বল করছে। হেসে বলে মনোজকে, আজ পূরব আমাকে প্রোপোজ করল।কেমন হয়েছে রে আংটিটা? মনোজের আনা গোলাপগুলো ঝুপ করে খসে পড়ল তার হাত থেকে। আর নিমেষেই মুখ হয়ে উঠল ফ‍্যাকাশে,বিবর্ণ। গোলাপগুলো দেখে মিতা বলে উঠল, এই গোলাপগুলো কার জন‍্য এনেছিস মনোজ? মনোজ কষ্ট চেপে বলে ওঠে, অপর্ণা ম‍্যাডামের জন‍্য।অপর্ণা ম‍্যাডাম ওদের কলেজের বাংলার প্রফেসর। খুব সুন্দরী। দেখে বয়স বোঝা যায় না। অদ্ভূতভাবে এই বয়সেও সৌন্দর্য ধরে রেখেছেন। কলেজের অনেক ছেলেই ওনার প্রেমে পাগল। মিতা বলে উঠল, তুইও! তারপর হেসে বলল, পারিসও! ঠিক আছে তুই এখানে থাক। আমি আর পূরব একটু ঘুরে আসি। বলে দুজনে বেরিয়ে গেল।
মনোজ স্তব্ধ হয়ে বসে রইল ওদের যাবার পথের দিকে চেয়ে।তার দুচোখে নেমে এল একরাশ হতাশা। না আজ আর কাউকে দেখতে ভাল লাগছে না। সে বাড়ি ফিরবে বলে বেরিয়ে পড়ে। দুচোখ ঝাপসা হয়ে আসে তার। তার সামান‍্য উপহার ঐ হীরের আংটির কাছে বড়ই তুচ্ছ, হাস‍্যকর মনে হয়। যেতে যেতে হঠাৎ সে রাস্তার পাশে পার্কে দেখতে পায় মিতা আর পূরবকে। কি অপার খুশী ওদের দুচোখে ঝরে পড়ছে! সত‍্যি সে কি বোকা। সে এতদিন কিছুই বুঝতে পারল না! না না তার আর কিছুই ভাল লাগছে না। চুপচাপ বাড়িতে এসে শুয়ে পড়ে।
দুদিন পর মিতার ফোন। মনোজকে বলে, কি রে কলেজে আসছিস না কেন? ফোনও করছিস না..। না আসলে একটু জ্বর হয়েছে। কাল থেকেই যাব,বলে মনোজ। ও,তাই..? আচ্ছা রেস্ট নে কদিন। আর শোন যেদিন দেখা হবে অনেক কথা আছে। আমাদের নতুন ব‍্যান্ডটা এবার খুলতেই হবে, বলে মিতা।
দেখতে দেখতে ওরা নতুন ব‍্যান্ড খুলে ফেলে। হইহই করে গান বাজনা শুরু করে দেয়। গান বাজনার মধ‍্যে থেকে দিনগুলো বেশ ভালোই কাটছিল। শুধু মনোজের বুকে মাঝে মাঝে এক শূণ‍্যতা এসে ফিরে ফিরে যায়। একদিন সে রিহার্সালে এসে পূরব আর মিতাকে বেশ ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখে ফেলে। তার বুকে যেন শেল বেঁধে। সে আর কোনওদিনও অত আগে রিহার্সাল করতে আসেনি। ইচ্ছে করেই একটু দেরী করেই এসেছে।
দেখতে দেখতে তাদের ব‍্যান্ডের বেশ নাম হয়ে যায়। পূরব যেহেতু ছিল গায়ক,তাই তার সুনাম অনেক জায়গাতেই ছড়িয়ে যায়। তার মুখটাই বেশি জনপ্রিয় হয়। আর মনোজ ছিল মিউজিশিয়ান। তাই সে একটু পিছনেই থাকে।
অদ্ভূত এক হতাশা কুঁড়ে কুঁড়ে খায় মনোজকে।সে যেন আজ এক পরাজিত সৈনিক।সব কিছুতেই সে পূরবের থেকে পিছিয়ে গেছে।
এবার শুরু হল তাদের এক মহড়া। তারা উত্তরবঙ্গে আমন্ত্রিত হল স্টেজ শো করার জন‍্য। তাই কদিন ধরেই চলছে জোর প্রস্তুতি। এরই মাঝে একদিন তুমুল ব‍্যস্ততার মাঝে মিতা মাথা ঘুরে পড়ে গিয়ে অজ্ঞান হয়ে যায়।
পরে মিতা জানতে পারে সে অন্তঃসত্ত্বা। কেউই কারও পরিবারকে কিছু জানায়নি। মিতা একদিন উদ্ভ্রান্তের মতো মনোজকে ফোন করে। বলে পূরবকে বোঝাতে সে যেন তাকে বিয়ে করে। পূরব না কি কিছুতেই রাজী হচ্ছে না। বলছে এখন ব‍্যান্ডের পিক টাইম। এখন এ সব বাজে ঝামেলায় না জড়িয়ে অ্যবরশন করিয়ে নিতে। রাগে মনোজের কান মাথা সব গরম হয়ে ওঠে। সে মিতাকে কথা দেয় উত্তরবঙ্গে স্টেজ শোয়ে গিয়ে সে পূরবকে ভালভাবে বোঝাবে।
দেখতে দেখতে স্টেজ শোয়ের দিন চলে আসে। উত্তরবঙ্গে ওদের শো খুব জনপ্রিয় হয় ও সাফল‍্য পায়। তারপর ঐ জায়গায় ওরা ভালোভাবে ঘুরবে প্ল‍্যান করে। এরপর মনোজ যথারীতি পূরবকে বোঝায়। মিতাকে বিয়ে করতে বলে। তখন পূরব ওর কথা ফুৎকারে উড়িয়ে দিয়ে বলে, আরে ইটস্ রকিং টাইম অফ আওয়ার ব‍্যান্ড। চিয়ার্স ইয়ার! ঐসব ফাল্তু কথা ছাড়। এদিকে মিতা আড়াল থেকে শোনে ওদের সব কথা। সে তখন উদ্ভ্রান্তের মতো ছুটে চলে যায় ওদের সামনে দিয়ে। মনোজ ওর পেছন পেছন পাগলের মতো ছোটে। ওকে থামতে বলে। কিন্তু পূরব যায় না। সিলি গাইস্ বলে মুখ বেঁকিয়ে ঘরে ঢুকে যায়।
এদিকে মিতা পাহাড়ের খাদে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত‍্যা করতে যায়। কিন্তু মনোজ ওর হাতটা জোরে ধরে নেয়। বলে ওঠে, পিতলের পিছনে ছুটলি এতদিন, সোনা চিনলি না! আমার চোখের দিকে তাকা। তুই কোনও দিনও এই চোখে ভালোবাসা দেখতে পাসনি? আমি তোকে তোর বাচ্চা নষ্ট করতে দেব না। আমি কথা দিচ্ছি আমি ওর সব দায়িত্ব নেব। মাথা ঝাঁকিয়ে জোরে জোরে বলে ওঠে মিতা, না না না এ কিছুতেই হতে পারে না। তুই আমাকে সহানুভূতি দেখাচ্ছিস। দুদিন পরেই হতাশা ঘিরে ধরবে তোকে। তুই পাল্টে যাবি। মনোজ বলে, তুই তো মেয়ে। একটা মেয়ে হয়ে একটা ছেলের মনের কথা বুঝতে পারলি না! সেই সরস্বতী পুজোর দিনে ঐ গোলাপগুলো আমি অপর্ণা ম‍্যাডামের জন‍্য নয়,তোর জন‍্য এনেছিলাম পাগলী! আর তোর যদি তাও বিশ্বাস না হয়, তবে তোর জন‍্য কেনা সুনীল গঙ্গোপাধ‍্যায়ের কবিতার বই দেখাব বাড়ি নিয়ে গিয়ে। ওখানে এখনও তোরই নাম লেখা আছে। মিতা নিষ্পলক চোখে তাকিয়ে থাকে মনোজের দিকে। কোন কথা বলতে পারে না। কিছুক্ষণ পর কান্নায় বুজে আসা গলায় বলে ওঠে, তুই আমাকে এত ভালবাসিস! আর আমি কি না... বলে ডুকরে কেঁদে উঠল। মনোজ জড়িয়ে ধরল মিতাকে। আস্তে আস্তে হোটেলের ঘরে নিয়ে গিয়ে শুইয়ে দিল।
পরদিন সকালে ওরা তিনজন হাঁটতে বেরোল। কিন্ত মিতার মন খুবই অবসন্ন,বিষন্ন। হঠাৎ পূরব খাদের দিকে অনেকটা নীচে একটা উপত‍্যকা মত জায়গায় একটা গাছের উপরে একটা চিতাবাঘ দেখতে পায়। দেখেই মনোজকে ডাকে। ক‍্যামেরার বিভিন্ন অ্যঙ্গেলে ছবি তুলতে থাকে। হঠাৎ তার পাটা হড়কে যায়। সে প্রাণপণে একটা গাছের সরু ডাল আঁকড়ে মনোজকে বাঁচাতে বলে । মনোজ হাত বাড়িয়ে ধরেও নেয় ওর হাতটা। কিন্তু পরক্ষণেই কি খেলে যায় ওর মনে। অদ্ভূত এক প্রতিশোধস্পৃহা জেগে ওঠে। ছেড়ে দেয় পূরবের হাতটা। নিমেষের মধ‍্যে পূরবের দেহ বুকে টেনে নেয় উত্তরবঙ্গের গভীর খাদ। ভয়ে চিৎকার করে ওঠে মিতা.....


Santana Saha

 

0 Comments | 0 Claps
বিভাগ - গল্প
শিরোনাম - শেষ বিকেলের রং
- সান্তনা সাহা
© Copyright protected

মণিকাদেবীর একমাত্র মেয়ে শম্পা। জন্ম থেকেই বিকলাঙ্গ। দুটো হাত অচল তার। মেয়েকে জন্ম দেবার পর থেকে মণিকাদেবীর কপালে যেমন কম লাঞ্ছনা জোটেনি তেমন শম্পার কপালেও ভাটা পড়েনি তার। জনমদুখী মেয়েটা রোজ চোখের জল ফেলত। কিন্তু মণিকাদেবী বুঝতে পারতেন তার মেয়ের মেধা আছে। তাই ঘরের ভিতরেই তাকে পড়াতেন। কিন্তু লোকলজ্জার ভয়ে বাড়ির বাইরে তাকে খুব একটা বের করতেন না। তাই স্কুলে ভর্তি হবার সৌভাগ‍্য কোনদিন হয়নি শম্পার।
আরেকটি ছেলেও ছিল মণিকাদেবীর। নাম ছিল রূপক। সে ছিল সুস্থ। দেখতেও ছিল সুন্দর। পাড়ার সকলে তার দিদির সামনেই তার প্রশংসা করত আর তার দিদির প্রতি তির্যক মন্তব‍্য করে ঠোঁট বাঁকাত। তাতে দিন দিন রূপকের গর্ব বেড়েই চলে। সেও তার দিদিকে তাচ্ছিল‍্য করতে শুরু করে।
শম্পার খুব শখ হত হোলি খেলার। হোলির দিন সে জানালার ফাঁক দিয়ে দেখত কত ছেলেমেয়ে রং নিয়ে খেলছে। কিন্তু তার যে কাউকে রং দেবার ক্ষমতা নেই। কেউ রং মাখাতেও আসত না তাকে। বুকে জমে থাকা কষ্টটায় পাথর চাপা দিয়ে সে জানালার পর্দা ফেলে দিত।
দেখতে দেখতে শম্পার বয়স বাড়তে থাকে। বিকলাঙ্গ হবার কারণে বিয়েও হয় না। একসময় তার বাবাকেও হারায় সে। তার ভাই রূপক নিজে পছন্দ করে একটি মেয়েকে বিয়ে করে। মেয়েটা তার সঙ্গে একই অফিসে চাকরী করত। কিন্তু ভাইবৌ আসার পর থেকে শম্পার কপালে জোটে মাত্রাধিক লাঞ্ছনা। রূপকও এর কোন প্রতিবাদ করত না। সে তখন তার বউয়ের প্রেমে পাগল। নিত‍্যদিন তার কাছে অপমানিত হতে হতে একদিন সহ‍্যের বাঁধ ভাঙে শম্পার। সে আত্মহত‍্যা করতে যায়। কিন্তু তার মা দেখতে পেয়ে তাকে বাঁচায়।
এই অশান্তির হাত থেকে মেয়েকে বাঁচাতে চিন্তাগ্ৰস্থ মণিকাদেবী তাকে একটি অনাথ আশ্রমে পাঠাবার ব‍্যবস্থা করে। চোখের জলে বুক ভাসিয়ে মেয়েকে সেখানে রেখে আসে। রূপক কোন দিন জানতেও চায়নি ঐ আশ্রমের ঠিকানা। দেখতে দেখতে সময়ের চাকা ঘুরতে থাকে। মণিকাদেবীও গত হন। রূপকের একটি ছেলে হয়। তার নাম আবীর। সেও আস্তে আস্তে বড় হয়ে যায়। সে জানতেও পারে না যে তার এক পিসিও আছে।
এদিকে শম্পা যে আশ্রমে থাকত সেখানে নানা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হত। এখানে থাকতে থাকতে শম্পা ভীষণ সুন্দর ছবি আঁকতে শেখে। তার হাত দুটো তো ছিল বিকল তাই সে ছবি আঁকত পা দিয়ে। আস্তে আস্তে তার বিভিন্ন ছবির প্রদর্শনী শুরু হয়। অনেক দামে তার ছবি বিক্রি হয়।
একদিন শহরের এক নামী আর্ট গ‍্যালারিতে তার ছবির প্রদর্শনী চলছে। তখন তার ভাইপো আবীরের তার আঁকা একটি ছবি এত ভালো লাগে যে সে কিনে নিয়ে যায়। বাড়ি গিয়ে বাবার কাছে ছবির শিল্পীর নাম বলাতে রূপকের সন্দেহ হয়। দুবছর আগে স্ট্রোক হয়ে রূপকেরও দেহের উর্ধ্বাংশ প্রায় পঙ্গু। দুটো হাত অচল। সে তখন অনুতপ্ত। তার হারানো দিদিকে ফিরে পাবার জন‍্য অদম‍্য আকাঙ্ক্ষা হত । কিন্তু কোন উপায় ছিল না। সে পথ তো সে নিজেই বন্ধ করে দিয়েছিল। সে মরিয়া হয়ে আবীরকে বলল, আমায় নিয়ে যাবি ঐ শিল্পীর কাছে? তখন সব কথা জানতে পারল আবীর।
শম্পা আর রূপক মুখোমুখি হবার পর কোন কথা বলতে পারে না। শুধু তাদের চোখ বেয়ে অবিরাম অশ্রুধারা পড়তে থাকে। দিনটি ছিল হোলির দিন। হঠাৎ আবীর এক থালা আবীর নিয়ে এসে বাবা আর পিসিকে মাখিয়ে দেয়। হঠাৎ এই আশাতীত পরমপ্রাপ্তিতে শম্পার দুচোখ আনন্দে নেচে ওঠে। সে বলে, আমার এমন কপাল যে হোলির দিনে একমাত্র ভাইপোকে একটু রংও দিতে পারব না। রূপক বলে, এখন তো আমারও একই অবস্থা। তখন আবীর বলে, তোমাদের দুভাইবোনের এই খুশী দেখে আমার হৃদয় যে এমনিই রাঙিয়ে গেছে গো। এ রং যেন মোর মর্মে লাগে। আমি যেন কখনও কোন বিকলাঙ্গ মানুষকে অশ্রদ্ধা না করি।


Santana Saha

 

0 Comments | 0 Claps

All Prose

Events

Surojit Online

কবিতাক্লাব ডট কম

এই তো সেদিন, ফেসবুকের পেজে লিখলাম একটা লাইন , “আর ভাল্লাগেনা তোমায় ছাড়া।”বন্ধুদের বললাম, সবাই মিলে কবিতা লিখলে কেমন হয়? হঠাৎ দেখি , চার পাতার একটা কবিতা তৈরি হলো, একেবারে চোখের সামনে, সব বন্ধুদের লেখা, মিলিয়ে মিলিয়ে।

See BLOG Read More

Search Writing

 

Search Writer By

 

Statistics

Number of VISITORS : 443952

REGISTERED USERS :

Number of Writers : 1546

Total Number of Poems : 24469

Total Number of Prose : 710

An Initiative By Surojit O Bondhura Kobita Club
Official Radio Partner

Designed and Developed by : NOTIONAL SYSTEMS