New User? | Forgot Password

Prose Library - Today's featured Prose

মর্নিং ওয়াক সেরে ব্যাল্কনিতে বসে গ্রিন টি সিপ করতে করতে সকালের খবরের কাগজে চোখ বুলিয়ে নেওয়া দেবোত্তমের প্রিয় অভ্যাস। এবার দেরীতে হলেও কোলকাতায় শীত নেমে এসেছে। অবশ্য কতদিন থাকবে সন্দেহ আছে। বয়েস বেড়েছে শীতের প্রতি ভাল লাগায় এতোটুকু টান পরেনি। ব্যাল্কনির ভেতর দিকে হ্যাঙ্গিং টবে নানা রঙের পিটুনিয়া, চন্দ্রমল্লিকা আর গাঁদা। সবই বৌমা রত্নাবলীর হাতের গুণ। কয়েক দশকের জীবনসঙ্গিনী সুতপাও মাঝে দুই হাত লাগায়। রোদের তেজ বেশি হলে নাতনী শুভেচ্ছা তানাহলে বৌমা যাকে হাতের কাছে পাবে লেগে থেকে ওগুলোকে নামিয়ে ছায়ায় রাখার ব্যবস্থা করে। দেবোত্তমকে বলে খুব একটা সুবিধা হয় না। ওর সাফ কথা, “দ্যাখো বাপু, আমি ওদের সৌন্দর্য উপভোগ করি। তাই বলে সেবা যত্ন করতে পারব না”। কপট সরোষে সুতপা বলে, “স্বার্থপরদের মত কথা”।
নীচে রাস্তা দিয়ে জনা কয়েক মর্নিং কলেজের মেয়ে এক ঝাঁক পাখীর মত কলকল করতে করতে চলেছে। দেবোত্তম খবরের কাগজ থেকে মুখ তুলে একবার দেখল। হঠাৎ কেন জানি মনে হল এখনকার ছেলে মেয়েরা অনেক বেশি স্বাধীন। না চাইতেই পেয়ে যাবার ফলে শাসন, বিধি নিষেধের চোখ এড়িয়ে এক চিলতে নিরীহ স্বাধীনতা উপভোগ করার আনন্দ থেকে ওরা বঞ্চিত হচ্ছে না কি?
“গুড মর্নিং বয় ফ্রেন্ড”। ঘুম জড়ানো চোখ নিয়ে পাশের চেয়ারটা টেনে দাদুর গা ঘেষে বসল শুভেচ্ছা। ও ব্র্যাবোর্নে ইংলিশে অনার্স নিয়ে পড়ছে।
“গুড মর্নিং। সো আর্লি?”
“টিজিং বিএফ?”
“না। কাল মনে হয় লেট নাইট চ্যাটিং...”
“ওফ! স্টপ বাজে কথা” বলে দাদুর গালে একটা চুমু দিল শুভেচ্ছা।
“এটা কি মুখ বন্ধ রাখার জন্য ঘুষ?”
“হাহ! বয়ে গেছে। আমি আমার কলেজের বন্ধুদের সাথে কথা বলি। প্রোফেসরদের সাথেও। অ্যান্ড ইউ নো আওরাস ইজ আ গার্লস কলেজ”
“কে দেখতে গেছে কার সাথে কথা বলছিস? যাক গে, একটা কথা বল তো। তোরা কোনদিন ক্লাস বাঙ্ক করে সিনেমা দেখতে গেছিস?”
“পাগল? ওসব স্বাধীনতার আগে ব্রিটিশ আমলের ব্যাপার স্যাপার। এখন ইউ টিউব, নেটফিক্সে টয়লেটে বসেও মুভি দেখা যায়”
“হুম। অন্যের ঘাড় ভেঙ্গে টিফিন খাওয়া?
“ধুস! নো ওয়ে। হিজ হিজ হুজ হুজ”
“একটা কাজ করবি? একদিন ক্লাস বাঙ্ক করে সিনেমা দেখতে যাস তো। অথবা এক কাপ কফি ভাগ করে খেয়ে দেখিস। অথবা একটা সিগারেট কিনে চার পাঁচজনে মিলে টেনে দেখিস। তবে সিগারেটটা একবারই। ইট ইজ ভেরি মাচ ইঞ্জুরিয়াস টু হেলথ”
“আজ আমার বিএফ হেভি ফুরফুরা মুডে আছে মনে হচ্ছে”
“ইওর বিএফ ওলয়েজ রিমেইন্স ইন ফুরফুরা মুড। যেটা বললাম করে দেখিস”।
***
অনেকদিন পরে গিন্নীর কবল থেকে টিভিটার মালিকানা পেয়েছে দেবোত্তম। তিনি গ্যাছেন কাছেই মন্দিরে কীর্তন শুনতে। তা না হলে তো এই সময় পরপর সিরিয়াল আর একজোড়া মুগ্ধ চোখ কাঁচপোকার মত টিভি স্ক্রিনে সেঁটে থাকে। রত্নাবলী শ্বশুরের আবদারে এক কাপ অতিরিক্ত চা দিয়ে গেছে। এমন সময় ঝড়ের মত শুভেচ্ছা ঢুকল। এসেই দাদুর কোলে বসে গলা জড়িয়ে ধরে বলল, “জানো আজ কী হয়েছে?”। দেবোত্তম তাড়াতাড়ি সাউন্ড মিউট করে দিয়ে বলল, “কোন সে প্রিন্স যে আমার গার্ল ফ্রেন্ডের নজরে পড়েছে?”
“উফ! সেসব কিছু না। সেদিন তুমি যা যা বলেছিলে। আজ করলাম”
দেবোত্তম বেশ ধাঁধায় পড়ে গেল। কী যে বলেছিল মনেও পড়ছে না ছাই।
“বুঝেছি ভুলে গেছ। শোন তাহলে আজকে লাস্ট ক্লাস ছিল এস এমের। এস এম মানে সুজাতা ম্যাম। ফিলজফি পাস সাবজেক্ট। সোওওও বোরিং। ঘুম এসে যায়। কিন্তু ওই খুসোট ভদ্রমহিলা নাছোড়বান্দা টু দি পাওয়ার ইনফিনিটি। দিলাম ডুব। সোজা নন্দন। আমি, অনামিকা, বাসবদত্তা আর পায়েল আগরয়াল। উই ফলোড ইওর সাজেশন। একটা বড় কফি চারজনে। একটা সিগারেট চারজনে। পাশ দিয়ে একজন মায়ের বয়েসি মহিলা কটমট করে দেখতে দেখতে গেল। এস এমের ডুপ্লিকেট। সবচেয়ে বড় কথা কি জানো এস এমের মুখটা মনে পড়তে হাসতে হাসতে পেট ফেটে যাবার অবস্থা। দারুন! দারুন মজা হয়েছে। উ আর গ্রেট!”। তারপরেই চোখ গোল গোল করে বলল, “মামমাম যেন না জানতে পারে। ঘরের এস এম”- বলতে বলতে ঝর্ণা বয়ে যাওয়া শব্দে হেসে উঠে অজস্র পারদ কণায় ভেঙ্গে পড়ল শুভেচ্ছা।
আদরের নাতনীর হাসি দেখতে দেখতে দেবোত্তমের মনে হল অনেক কিছু বদলে গেলেও সব কিছু বদলে যায়নি। শুভেছা যেন ওদের সময়ের কলেজবেলার দিনগুলো মনে করিয়ে দিল। শাসন, বিধি নিষেধের নজর এড়িয়ে কিছু মিঠা স্বাধীনতা ভোগ।

Partha Ray

 

0 Comments | 0 Claps
বাজার দর আগুন। না, জিনিস পত্রের দাম নয়; খেলোয়াড়ের দাম। বছরের ঠিক এই সময় দেওয়ানগঞ্জের কবাডি খেলার প্রতিযোগিতা রীতিমতো মহাযুদ্ধের আকার নেয় । সাতদিন ধরে চলে উৎসবের মহড়া। আশেপাশের গ্রামের যত বড় বড় কবাটি খেলোয়াড়রা আছে, তারা এই সময়ে রীতিমতো সেলিব্রেটি হয়ে ওঠে। প্রতিযোগিতার সবচেয়ে বড় দুটি দল- ‘আয় দেখি’ আর 'হিম্মত চাই' দলের দুই প্রেসিডেন্ট বীরেন বাঁড়ুজ্জে আর চরণ চাটুজ্জে'র বাড়ি দুটোকে এই সময় দুই ঘসেটি বেগমের প্রাসাদ বললে ভুল বলা হয় না। কত রকমের যে প্ল্যান-প্রোগ্রাম চলে এই দুই পড়শি বাড়ির মধ্যে! আর হবে নাই বা কেন? দুজন দুজনের চরম শত্রু! তাদের মাঝখানে থাকা এই কবাডি প্রতিযোগিতা হলো তাদের তিক্ত সম্পর্কের একমাত্র সাঁকো। যত রেষারেষি, যত ঝগড়া, যত প্রতিশোধ তা সবই এই খেলাকে কেন্দ্র করে। আর খেলার শেষে যে দল কাপ পায় সেই দলের প্রেসিডেন্টকে দেখে আগামী এক বছর মনে হয় যেন বিশ্ব জয় করা কোন সম্রাট বাদশা। আর অন্য জন নিজেকে এক বছরের জন্য হোম কোয়ারেন্টাইন এ পাঠিয়ে দেয়। এ দৃশ্য বিগত তিরিশ বছর ধরে দেখে আসছে দেওয়ানগঞ্জের মানুষ।
এই সুযোগে খেলোয়াড়রাও তাদের দর ইচ্ছামত বাড়িয়ে দিয়েছে। এলাকার সেরা খেলোয়াড় কেলো টিমটিমকে যেখানে দু’বছর আগে অবধি গোটা টুর্নামেন্টের জন্য চার পাঁঠা- ছয় এঁচোড়ে সহজেই পাওয়া যেত, আজ তার ন্যূনতম দর হয়ে দাঁড়িয়েছে, প্রতি ম্যাচ পিছু তিন পাঁঠা- দশ কেজি চাল। তবে অবশ্য কেলো টিমটিম যে দলেই থাকবে সেই দলের জিত নিশ্চিত। আগের বছর চাটুজ্জের টিমে ছিল, তাই যথারীতি ‘হিম্মত চাই’ কাপ নিয়েছে। কিন্তু এবছর এখনো খেলোয়াড় কেনা-কিনির কাজ এখনো হয়নি। আগামী সোমবার খেলোয়ার কেনার দিন, স্থান- পল্টুর চায়ের দোকান। সন্ধ্যে থেকে সেখানে মেলা বসবে। তবে পল্টুই সবার জন্য চা স্পন্সর করে। ঐদিন সবার এক কাপ করে চা ফ্রি।
গত এক বছর বাঁড়ুজ্জেবাবু বাড়ির চৌকাঠের বাইরে পা রাখেনি। তাঁর দৈনিক সাড়ে আট টাকার বিশ্বস্ত গুপ্তচর, দুই বাড়ির কমন কাজের লোক ক্ষেন্তি ও বাড়ির সব খবরাখবরি দেয়। অবশ্য ক্ষেন্তি শুধু দু'বাড়ির কমন কাজের লোকই দু’বাড়ির কমন গুপ্তচর ও বটে। তাই রোজ দশ টাকার বিনিময়ে এ বাড়ির খবর যে চাটুজ্জ্যে বাবুর কানে পৌঁছাচ্ছে তা বাঁড়ুজ্জে বাবু ঘুণাক্ষরেও টের পান না। তবে ক্ষেন্তির একটা মুদ্রাদোষ হল, খবরে যতক্ষণ না জল মিশিয়ে ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে বড় করে বলতে পারছে ততক্ষণ তার পেটের ভাত হজম হয়না। তাই বাঁড়ুজ্জ্যেবাবু সাবধান করে দিয়েছেন বিষয় সবসময় সংক্ষেপে বলতে হবে, নয়তো উপরি ইনকাম থেকে দৈনিক তিন টাকা কাটান যাবে।
আজ সকালে ক্ষেন্তি হঠাৎ ছুটতে ছুটতে এসে কবাডি খেলার গুপ্ত সভায় আলোচনায় মগ্ন বাঁড়ুজ্জে বাবুর চেয়ারের পাশে এসে হাঁপাতে হাঁপাতে বললো, ‘খবর শুনিচেন কত্তাবাবা!’ বাঁড়ুজ্জ্যেবাবু ব্যাস্ত হয়ে ঘাড় ঘুরিয়ে বললেন, ‘কৈ না তো! কী হয়েছে ? সংক্ষেপে বল!” সাবধান হয়ে গিয়ে ক্ষেন্তি বলল, ' ওবাড়ির কত্তা বাজারে গিয়ে ছুটতে ছুটতে এসে মরে গেছে!”
খবরটা শুনে বাঁড়ুজ্জ্যে ভবনে আনন্দের অন্ত থাকলো না। নো প্রতিদ্বন্দী মানে সিওর কাপ। আর সিওর কাপ মানে, নো ঘরবন্দি, নো লজ্জা- অনলি বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়ানো। এই খবরে ক্ষেন্তির উপরি ইনকাম আজকের জন্য এক লাফে সাড়ে আটটা থেকে সাতাশ টাকা বারো আনা হয়ে গেল। বাঁড়ুজ্জ্যে তার অ্যাসিস্ট্যান্ট রামগোপালের উদ্দেশ্যে বললেন, “ ওরে রেমো, যা বাপ যা, চিনু ময়রার দোকান থেকে এক ঝুড়ি সন্দেশ নিয়ে আয় তো। এমন আনন্দের দিনে মিষ্টিমুখ না করলে, আর করবি কবে রে বাপ!”
খানিকক্ষণ পরে চিনু সন্দেশ নিয়ে এসে বাঁড়ুজ্জ‌্যে বাবুকে বললেন, ‘কৈ খুড়ো, ও বাড়ি কোন মরা কান্নার আওয়াজ পেলুম না তো, ওবাড়ির পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় কান পেতে ছিলুম বটে। হাজার হোক শত্তুর নিধনের খবর বলে কথা। নিজের কানেনে শুনলে পরে তৃপ্তি হয় আর কি!” বাঁড়ুজ্জ্যে অবাক হয়ে বলল, “বলিস কি! লোকটা মরল, অথচ কেউ কাদলো না বটে!”
পাশ থেকে ক্ষেন্তি বলে উঠলো, “আ মোলো যা, ওকত্তা মরবে কেনে গা!”
- তবে যে বললি-
- আপনি তো ছোট করি বলতি বলেসেন। তাই আমি তিন খান কতা কাটসাঁট করি এককথায় বলেচি।
- তিন খান কথা!
- হ্যাঁ। তিন খান কথা। কথা হল, চাটুজ্জে কত্তা বাজারি গে কেলো টিমটিমে কে ভালো-মন্দ গিলিয়ে নিজের দলে করি নেচে। যখন তিনি কেলোর সঙ্গে কথা বলতেসিলেন তখন তার বাঘা কুত্তাখান ছাড়া পেয়ে ছুটতি ছুটতি এসে এ-বাড়ির গইলে সিঁদিয়েচে। আর গইলে আপনে যে দশখান পাঁঠা পেলেয়ার কেনার জন্যি এনে রাকসিলেন, তাদের দুটোরে এমন কামর দেচে, তারা মরি গেচে।
- এ্যাঁ
- এজ্ঞে হ্যাঁ!...

অনুমিতা দাস

 

0 Comments | 1 Claps


কি বলব আর দুঃখের কথা। যেটুকু যতটুকু বুঝি তাতে কিছুতেই মেনে নিতে পারছি না। ওই দেখো, দুপক্ষই দাঁড়িয়ে আছে। বলছে – আমি ঠিক, আমি ঠিক। তাহলে বিচার্য বিষয়, কে ঠিক?
তাও বিচার করার জন্য আবার কয়েক পক্ষ। তাদেরও আবার ভিন্ন ভিন্ন মত। কে ঠিক তাহলে? আরে বাবা, অত কথার কি আছে? যারা ক্ষমতায়, যে পক্ষের দল ভারি, সে-ই ঠিক।
আরে মশাই, সে তো আপনি বলছেন। অন্য পক্ষের কথা শুনুন। তারও কি যেন সব যুক্তি আছে? তাহলে ন্যায় অন্যায় বিচার বুদ্ধি জ্ঞান এ সবের কি হবে?
ও সব কবে আর ছিল? গ্যালিলিওর কথা না শোনা লোকের সংখ্যাই বেশি ছিল। তা বলে কি গ্যালিলিও মিথ্যে ছিল? তা তো নয়?
সে-ই আপনি কতটা পেছনে চলে গেলেন? আর নিজেকে সবজান্তা ভেবে বেশ আছেন। কিন্তু আপনাকেও তো কোন না কোন পক্ষে যেতেই হবে?
কি বললেন? নিরপেক্ষ?
আরে মশাই, নিরপেক্ষ একটা নিদান মাত্র। তাতে কারো কিছু এসে যায় না। যে ওই মাঝামাঝি থাকে তারাই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাকে দু পক্ষই টানতে থাকে। মাঝখানে থেকে আরো বেশি কৈফিয়ত।
তার চেয়ে বলতেই পারি আমি মানবতার পক্ষে।
বাহ ভালই বলেছেন। সে ধরুন অনেক যুগ আগে থেকে ক্ষমতার জন্য লড়াই হত। সেই লড়াইয়ে মানুষ মানুষকেই মারত। এখনও ক্ষমতার জন্য এক পক্ষ মারে আর এক পক্ষ মার খায়। আবার উল্টো আবার উল্টো হতেই থাকে। কে ঠিক, কে ভুল, কে বিচার করবে? সেই বিচারে কি প্রহসন হবে তারও আবার লম্বা ফিরিস্তি। একেবারে সাধারণ হয়ে কোথায় দাঁড়াবেন? ভাবতে ভাবতে সময় কাবার। দেখবেন আপনি আছেন কিংবা নেই হয়তো।
দুঃখ আপনার সঙ্গি এটা নিশ্চিত। এখানে কোন পক্ষ নেই। মানবতা কিছু কথা বলে যায় আর বলেই যায় কিন্তু কোন পক্ষেই দাঁড়ায় না।

দীপঙ্কর বেরা

 

0 Comments | 0 Claps

All Prose

Events

Surojit Online

কবিতাক্লাব ডট কম

এই তো সেদিন, ফেসবুকের পেজে লিখলাম একটা লাইন , “আর ভাল্লাগেনা তোমায় ছাড়া।”বন্ধুদের বললাম, সবাই মিলে কবিতা লিখলে কেমন হয়? হঠাৎ দেখি , চার পাতার একটা কবিতা তৈরি হলো, একেবারে চোখের সামনে, সব বন্ধুদের লেখা, মিলিয়ে মিলিয়ে।

See BLOG Read More

Search Writing

 

Search Writer By

 

Statistics

Number of VISITORS : 911617

REGISTERED USERS :

Number of Writers : 1721

Total Number of Poems : 30848

Total Number of Prose : 1130

An Initiative By Surojit O Bondhura Kobita Club
Official Radio Partner

Designed and Developed by : NOTIONAL SYSTEMS